Below Main Menu
মেনু
News16
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৫.০৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫২০ জন

রাজশাহী প্রতিনিধি প্রকাশ : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ 63 বার পঠিত
রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৫.০৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫২০ জন
ছবি : রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৫.০৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫২০ জন
Single News Top

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে। এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি অকৃতকার্য হয়েছে। করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে অটোপাসের পর এবারই বোর্ডটিতে পাসের হার সর্বনিম্ন। তবে পাসের হার ও জিপিএ-৫—উভয় ক্ষেত্রেই ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন।

বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১ হাজার ৮৯৪ জন। সে হিসাবে অকৃতকার্য হয়েছে ৭৫ হাজার ৪৬২ জন পরীক্ষার্থী।

রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, বিপরীতে মেয়েদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ।

এ বছর রাজশাহী বোর্ডে মোট ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৯৬৫ জন ছেলে এবং ২ হাজার ৫৫৫ জন মেয়ে। অর্থাৎ পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি—দুই সূচকেই ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।

পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভাগের আট জেলার মাত্র ৯টি কলেজের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৩৯টি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

বোর্ডের গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২০ সালে শতভাগ পাসের পর ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশে। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর (২০২৫) পাসের হার ছিল ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। এবার তা আরও কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে নেমেছে।

ফলাফল প্রসঙ্গে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা খাতায় যেমন লিখেছে, সেভাবেই নম্বর পেয়েছে। কাউকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়নি। তাই সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।’

Single News Bottom

সারাদেশ থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে