Below Main Menu
মেনু
News16
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা দেশ ছেড়েছেন

ষ্টাফ রিপোর্টার প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬ 30 বার পঠিত
ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা দেশ ছেড়েছেন
ছবি : সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা
Single News Top

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার এক আসামিকে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে পদত্যাগ করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার দেশ ছেড়েছেন। গত ৩১ অক্টোবর তিনি ইতালিতে গেছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, সাইমুম রেজা তালুকদারের বিদেশভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। ফলে তিনি কোথায় যাবেন, সে বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের কিছু করার নেই।

গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রাম শহরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিনে মুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গত ১০ মার্চ প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর পরদিনই ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। কমিটির প্রধান করা হয় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামকে। তবে যৌথ প্রতিবেদন প্রকাশের আগের দিন, ৯ মার্চ পদত্যাগ করেন সাইমুম রেজা।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম চলছে এবং তা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তাঁরা কমিটির প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন।

সাইমুম রেজার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে সাইমুম রেজার বিদেশযাত্রায় কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না।

এ সময় এক সাংবাদিক ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের ফৌজদারি ভিত্তি থাকা সত্ত্বেও আট মাসে তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘুষ চাওয়া ও দেওয়া—দুটিই অপরাধ। যাঁরা তাঁকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন, তাঁরাও সমভাবে দায়ী।

তদন্ত প্রতিবেদন দিতে দেরির কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির একজন সদস্য দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। এ ছাড়া তিনি নিজেও কিছুদিন বিদেশে ছিলেন এবং অপর এক প্রসিকিউটরের মায়ের মৃত্যুর কারণে তাঁর অনুপস্থিতি ছিল। এসব কারণে প্রতিবেদন দিতে দেরি হয়েছে। তবে যথাসম্ভব দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Single News Bottom

জাতীয় থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে