Below Main Menu
মেনু
News16
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ওসির বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ 76 বার পঠিত
রুমিন ফারহানার সঙ্গে ওসির বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি
ছবি : রুমিন ফারহানার সঙ্গে ওসির বাদানুবাদ
Single News Top

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বাদানুবাদের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে জিডির বিষয়টি জানাজানি হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আরাফাতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ওই দিনের ঘটনা উল্লেখ করে একটি জিডি করা হয়েছে। এটি কোনো অভিযোগ নয়। যেকোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটলে পুলিশ সাধারণ ডায়েরি করে রাখে।

তবে জিডির বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া। ঘটনার সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে থানায় কারা এসেছিলেন, পুলিশ তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে সরাইল থানা ভবনে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এবং দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় পুলিশি নিরাপত্তা না দেওয়ার বিষয় নিয়ে বাদানুবাদে জড়ান রুমিন ফারহানা।

জানা গেছে, দুর্গাপূজা চলাকালে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য বলা হলেও ওসি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে এবং ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে থানায় যান রুমিন ফারহানা। রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি ওসির কক্ষে অবস্থান করেন।

এ সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে যাওয়া এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওসি তাঁর কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তবে ওসি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। ওই ব্যক্তিকে রুমিন ফারহানা শিখিয়ে থানায় এনেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাদানুবাদের একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনার হিস্ট্রি তো আমি জানি স্যার। যাই হোক, সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।’

অন্যদিকে, রুমিন ফারহানার অভিযোগ অস্বীকার করে ওই দিন সাংবাদিকদের ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, সংসদ সদস্য শত শত লোক নিয়ে থানায় এসে অস্থিরতা তৈরি করেন এবং কয়েকজনকে শিখিয়ে আজেবাজে কথা বলার জন্য নিয়ে আসেন। তিনি ইটভাটা থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগেরও বিরোধিতা করেন। তাঁর ভাষ্য, হাওরে সব ইটভাটা পানির নিচে রয়েছে।

ওসি আরও বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুরো থানা এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে ওই সময়ে রুমিন ফারহানার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পুলিশের একটি দল রাখা কঠিন ছিল।

Single News Bottom

সারাদেশ থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে