Below Main Menu
মেনু
News16
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

ফুটপাত দখলমুক্তের পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসন করা হবে: রাসিক প্রশাসক

রাজশাহী প্রতিনিধি প্রকাশ : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ 63 বার পঠিত
ফুটপাত দখলমুক্তের পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসন করা হবে: রাসিক প্রশাসক
ছবি : রাজশাহীতে ফুটপাত দখলমুক্ত করে হকারদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে: রাসিক প্রশাসক রিটন
Single News Top

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নগরীর সাহেববাজার এলাকায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

রাসিক প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে মহানগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ভদ্রা, মহিলা কলেজ রোড ও মেডিকেলের সামনের একাংশের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর, জিরোপয়েন্ট, সোনাদিঘি মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে। এ লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন করা হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক সাহেববাজার কাঁচাবাজার, মাছপট্টি, মাংসপট্টি, কসাইখানা এবং মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত বিভিন্ন পরিত্যক্ত দোকান ঘুরে দেখেন। এ সময় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, রাজশাহী মহানগরীকে শুধু নামেই নয়, বাস্তব অর্থেই ক্লিন ও গ্রিন সিটিতে পরিণত করতে চান তাঁরা। মহানগরীকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসেবে তিনিও কাজে বিশ্বাসী।

ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গিয়ে বাধা ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকির মুখে পড়ছেন জানিয়ে রাসিক প্রশাসক বলেন, এসব হুমকিতে তিনি ভীত নন। জীবন থাকা পর্যন্ত রাজশাহীকে গোছানোর কাজ চালিয়ে যাবেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নগরীকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, দখলমুক্ত, বাসযোগ্য, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি।

সাহেববাজার কাঁচাবাজার ও মাছপট্টির দ্বিতীয় তলায় ৮৯টি দোকান অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দোকানগুলো ও সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মার্কেটটি নতুনভাবে নির্মাণ কিংবা আধুনিকায়ন করা যায় কি না, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নূর-ঈ সাঈদ, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান ইমন ও নিলুফার ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) জসীম উদ্দীন আরজু, রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন খোকন এবং উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় চন্দ্রিমা থানা বিএনপির সদস্যসচিব মনিরুল ইসলাম জনি, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক মুঈদুর রহমান মুঈদ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবার আলী জ্যাকি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভ, ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ শান্ত, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Single News Bottom

সারাদেশ থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে