Below Main Menu
মেনু
News16
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

বাংলাদেশকে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দেওয়ার প্রস্তাব জার্মানির

নিউজ সিক্সটিন ডেস্ক প্রকাশ : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ 57 বার পঠিত
বাংলাদেশকে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দেওয়ার প্রস্তাব জার্মানির
ছবি : জার্মানির প্রস্তাবিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ছবি- এক্স
Single News Top

নিউজ সিক্সটিন ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর (বিএএফ) কাছে মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আইরিস-টি এসএলএম (IRIS-T SLM) সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়ার দাবি উঠেছে জার্মানির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের প্রতিরক্ষাবিষয়ক অ্যাকাউন্ট DefenseDtb-তে প্রকাশিত একটি এক্সক্লুসিভ পোস্টে এ দাবি করা হয়। ফলে বিষয়টিকে আপাতত সম্ভাব্য প্রস্তাবসংক্রান্ত তথ্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে; নিশ্চিত কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি বা ক্রয়-সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়।

কী এই আইরিস-টি এসএলএম?

আইরিস-টি এসএলএম জার্মানির ডিহল ডিফেন্স (Diehl Defence) নির্মিত একটি মাঝারি পাল্লার ভূমিভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। এটি যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মতো আকাশপথের বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলার জন্য তৈরি।

ব্যবস্থাটিতে লক্ষ্য শনাক্ত ও অনুসরণের রাডার, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান সমন্বিতভাবে কাজ করে। প্রকাশিত বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এর ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ৪০ কিলোমিটার এবং কার্যকর উচ্চতা প্রায় ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। তবে লক্ষ্যবস্তুর ধরন, উড্ডয়ন উচ্চতা ও পরিস্থিতির ওপর প্রকৃত কার্যকর পাল্লা নির্ভর করে।

আধুনিক রাডার ও সমন্বিত কমান্ড-নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবস্থাটি একই সময়ে একাধিক আকাশপথের হুমকি মোকাবিলা করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের পর আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা অঙ্গনেও এটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় স্বল্প, মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যুক্ত হলে সামরিক ঘাঁটি, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কৌশলগত অবকাঠামোর নিরাপত্তা জোরদার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী বর্তমানে কোন কোন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মূল্যায়ন করছে, আইরিস-টি এসএলএম নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে কি না কিংবা এ বিষয়ে কোনো ক্রয়-সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ডিহল ডিফেন্স ও এমএসএএন (MSAN)-এর কথিত প্রস্তাবটি বাস্তব হলে তা বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়নে সম্ভাব্য ইউরোপীয় বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে প্রস্তাবের শর্ত, সম্ভাব্য ব্যয়, সরবরাহের সময়সীমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও উৎক্ষেপণযানের সম্ভাব্য সংখ্যা সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কিংবা বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রস্তাবটির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ততক্ষণ পর্যন্ত এ দাবিকে সম্ভাব্য প্রস্তাবসংক্রান্ত তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করা যুক্তিযুক্ত।

Single News Bottom

আন্তর্জাতিক থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে